Logo

VEDVEDEE POURA HIGH SCHOOL

ভেদভেদী, রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

বিদ্যালয়ের নিয়মাবলী

বিদ্যালয়ের নিয়মাবলী

বিদ্যালয়ের নিয়মাবলী

 
১। ভর্তিঃ জানুয়ারী মাসের নির্দিষ্ট তারিখে পরীক্ষার মাধ্যমে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণীতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ভর্তির জন্য  নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য কোন ছাত্র- ছাত্রীকে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয় না।
 ২। শিক্ষাবর্ষঃ পহেলা জানুয়ারী হতে একত্রিশে ডিসেম্বর।
৩। কর্মকালঃ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪.০০ টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২.০০ টা।
৪। অধ্যয়নের বিষয়সমুহঃ  স্ব-স্ব শ্রেণীর জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পুস্তক সমুহ।
৫। পোশাকঃ  ছাত্রদের সাদা হাফ শার্ট, কাল পেন্ট ও সাদা জুতা এবং ছাত্রীদের জ্ন্য ফিরোজা জামা, সাদা পায়জামা, সাদা স্কার্ফ ও সাদা জুতা। নির্দিষ্ট পোশাক ছাড়া শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ নিষিদ্ধ। স্বর্ণালংকার পরিধান করে বিদ্যালয়ে আসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৬। বেতনঃ  সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং শুধুমাত্র উপবৃত্তি প্রকল্প বর্হিভুত ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট হতে বেতন আদায় করা হয়।
 
৭। পরীক্ষাঃ  বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা প্রচলিত আছে। তাছাড়া প্রথম সাময়িক/দ্বিতীয় সাময়িক/প্রাক নির্বাচনী/নির্বাচনী পরীক্ষার গড় ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষারমান নির্ণয় করা  হয়।
৮। ফলাফলঃ দুই পরীক্ষার গড় নম্বরের ভিত্তিতে চুড়ান্তভাবে সন্তোষজনকভাবে ফলাফল লাভে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের কোন অবস্থাতেই পরবর্তী শ্রেণীতে প্রমোশন দেয় হবে না এবং উক্ত ব্যাপারে কোন তদবীর বা সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে না।
৯। অনুপস্থিতিঃ  শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবক-অভিভাবিকাগণকে তার উপযুক্ত কারণ দর্শাতে হবে। অন্যথায় দৈনিক অনুপস্থিতির জন্য ১০.০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।
১০। প্রাত্যহিক সমাবেশঃ  শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের তত্ত্বাবধানে প্রাত্যহিক সমাবেশ একটি আকর্ষণীয় ও দর্শনীয় অনুষ্ঠান। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের নিজস্ব পোশাক পরিধান পূর্বক সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে  হয়। তাছাড়াও বিদ্যালয়ের প্রতিটি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ বাধ্যতামুলক।
১১। সংক্রামক রোগঃ  কোন ছাত্র-ছাত্রী ছোঁয়াচে বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে তাহা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবগত করতে হবে এবং প্রয়োজনবোধে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ না করা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে আসা হতে বিরত থাকবে।
 
১২। শিক্ষার্থীদের সাথে অভিভাবকের সাক্ষাৎকারঃ  বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে যথার্থ কারণ ব্যতীত কোন অবস্থাতেই অভিভাবক বা আত্নীয় স্বজন তাদেঁর ছেলেমেয়ে বা পোষ্যের সাথে সাক্ষাৎকরতে পারবেন না।
 
১৩। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে অভিভাবকের সাক্ষাৎকারঃ  ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠোন্নয়ন তথা যাবতীয় কার্যাবলী সম্পর্কে আলোচনার জন্য প্রয়োজনবোধে অভিভাবক-অভিভাবিকাগণ প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকার সাথে দেখা করতে পারবেন।
 
১৪। শিক্ষাঙ্গনের বাইরে যাওয়ার অনুমতিঃ  বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বা বিরতির সময়ে বিদ্যালয় ফটকের বাইরে যাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। একান্ত প্রয়োজনে অভিভাবকগণের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে শ্রেণী শিক্ষক-শিক্ষিকার সুপারিশক্রমে প্রতিষ্ঠান প্রধান অনুমতি দিয়ে থাকেন।
 
১৫। ছাড়পত্র প্রদানঃ  এক সপ্তাহ পূর্বে বিদ্যালয়ের সমস্ত পাওনা পরিশোধ পূর্বক দরখাস্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ছাড়পত্র প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে নেয়া যাবে।
 
১৬। (ক) যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী পরপর দুই বৎসর একই শ্রেণীতে অকৃতকার্য হলে তাকে বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ দেয়া হবে না।
      (খ) যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী কোন কাজে লিপ্ত হয় বা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্যকে প্রলুদ্ধ করে তাকে অবশ্যই বাধ্যতামুলক ছাড়পত্র দেয়া হবে।
 
       প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে উপরোক্ত যে কোন নিয়মাবলীর পরিবর্তন বা পরিবর্ধনে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
 

ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন আদায়ের নিয়মাবলীঃ

 ক) প্রত্যেক ইংরেজি মাসের ০১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে যথাক্রমে ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী/অভিভাবক কর্তৃক সকাল ৯.৩০ ঘটিকা হতে ১.০০ ঘটিকার মধ্যে বেতন প্রদান করতে হয়।
খ) প্রতিমাসের বেতন উক্ত মাসের নির্ধারিত তারিখে পরিশোধ করতে হবে।
গ) কোন ছাত্র-ছাত্রী যদি কোন মাসের বেতন ঐ মাসের নির্ধারিত দিনে পরিশোধ না করে তবে তাকে পরবর্তী মাসে বেতনসহ এক সাথে পরিশোধ করতে হয়।
ঘ) একাধারে পাঁচ মাস যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী বেতন পরিশোধ না করে তাহলে তার ভর্তি বাতিল বলে গন্য করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে সমুদয় মাসের বেতন ও জরিমানাসহ পুনঃভর্তি ফি বাবদ ১০০.০০ (একশত)টাকা পরিশোধ সাপেক্ষে নিয়মিত হতে হবে।
ঙ) বেতন প্রদানের দিনে সরকারী ছুটি থাকলে তৎপরবর্তী কার্যদিবসে বেতন পরিশোধ করা যায়।
চ) ছাত্র-ছাত্রীদের বিনা কারণে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা রোধের উদ্দেশ্যে জরিমানার বিধান রয়েছে। এ জরিমানা প্রতি ০১ দিন অনুপস্থিতির জন্য ১০.০০ (দশ) টাকা হারে বেতনের সাথে আদায় করা হয়।
ছ) অভিভাবকগণ সুবিধাজনক মনে করলে ছা্ত্র-ছাত্রীদের বেতন ও অন্যান্য ফি অগ্রিম পরিশোধ করতে পারবেন।
 

ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্যই পালনীয়ঃ

 একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর পরিচয় কেবল তার ভাল ফলাফলেই নয়, সামগ্রিক আচার-আচরণ ও নিয়ম শৃংখলা মেনে চলার উপরও নির্ভর করে। তাই প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে অবস্থানকালে নিম্নোক্ত আচরণ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হয়।

১) সকল ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।
২) নিয়মিত প্রাত্যহিক সমাবেশের পূর্বে উপস্থিত হতে হবে এবং সমাবেশে যোগদান বাধ্যতামুলক।
৩) প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত পোষাক পরিধান করতে হবে।
৪) প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে।
৫) ক্লাশ চলাকালীন সময়ে বিশেষ প্রয়োজনে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হলে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিতে হবে। এছাড়াও স্কুল চলাকালীন সময়ে অভিভাবকগণ লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ছুটি মঞ্জুর করা যায়।
৬) ছুটি ভোগ করার পূর্বে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তা অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
৭) প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পদ ছাত্র-ছাত্রী নষ্ট করলে তাকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৮) বিদ্যালয়ের দেয়ালে, দরজা ও জানালায় কোন কিছু অংকন বা লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৯) ক্লাশ চলাকালীন সময়ে কোন ছাত্র-ছাত্রী বারান্দা, ক্যান্টিন বা লাইব্রেরীতে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করতে পারবে না।
১০) ছুটির পর সুশৃংখলভাবে স্কুল ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হবে।
১১) কোন ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যালয়ের শৃংখলা পরিপন্থি কাজ করলে তাকে বাধ্যতামুলক ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।
১২) সিনিয়র ছাত্র-ছাত্রীরা জুনিয়র ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে জ্যেষ্ঠ ভাই-বোনদের নিকট থেকে প্রত্যাশিত দায়িত্বশীল আচরণ করবে।
১৩) 
 বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধুমপান সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। 
১৪)  বিদ্যালয়ের বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য পাওনা সময়মত পরিশোধ করতে হবে।